ঝালকাঠি জেলার এস এ পরিবহনে আসে দৈনিক লক্ষ লক্ষ টাকার পার্সেল। যেখানে কন্ডিশনে এবং বিনা কন্ডিশনে মালামালসহ অনেক টাকা পয়সা দেশ-বিদেশ থেকে আনা নেওয়া হয়।

দেখা যায় যখন কেউ মালামাল এক স্থান থেকে অন্য পাঠানো হয় তখন তারা নিজেরাই বলে আমার চেক করে পাঠাব। এমনকি তারা তাদের নিজস্ব ব্যাগে করে পার্সেল পাঠায়। কারণ তারা চেক করে তাদের নিজস্ব ব্যাগে ভর্তি করে পাঠায়।

যারা বিশেষ করে অনলাইনে কিছু কেনা কাটা করে তারা ধনীর ঘরের ছেলে মেয়েরা। তারা না পারে কিছু বলতে না পারে কিছু করতে। অনলাইনে অর্ডার দিলে এস এ পরিবহনে আসে। কারণ সবাই এস এ পরিবহনেই পাঠাতে চায়। যারা মালা বিক্রি করে থাকে না তাদের ঠিকানা এমন কি একটা মোবাইল নম্বরও থাকে না।

অন্ধ বিশ্বাসে অনলাইন থেকে ক্রয় করে মাঝে মাঝে দেখা যায় মোবাইলের প্যারেকটের মধ্যে একটা গোল আলু। আবার কখনও কখনও মোবাইলের অর্ডার দেয় এক মডেলের কিন্তু প্যাকেটের মধ্যে আসে আরেক মডেলের। ক্রেতারা ভয়ে কিছু বলতে পারছে না।

সাধারণ জনগণ যখন কিছু পাঠাতে চায় তখন এস এ পরিবহনের লোকেরাই বলে মাল চেক করে আমাদের প্যাকেটে পাঠাতে হবে।

তাহলে যারা অনলাইন সপিং এর মালা পাঠায় তখন তারা কি করে? তারা যদি অনলাইন ব্যবসায়ির মাল চেক করে পাঠায় তবে বাচ্চার পোষাকের পরিবর্তে একট সাধারণ ছাপার কাপড় আসে কি করে?

এমনই একটা ঘটনা ঘটে আজ রোববার (৩ মে) আমসাদের ঝালকাঠি জেলার দৈনিক আজকালের খরব পত্রিকার ঝালকাঠির প্রতিনিধি এবং লাইভ বাংলা অনলাইন টিভির সম্পাদক গাজী মো: গিয়াস উদ্দিনের হাতে। তিনি এস এ পরিবহনের ম্যানেজারকে এই বাটপারির কথা জিজ্ঞেস করলে ধামাচাপা দিয়ে এড়িয়ে যেতে চায় এস এ পরিবহন কর্তৃপক্ষ।

তিনি আশা করেন এ ধরণের প্রতারক চক্রের প্রতি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিআকর্শন যাতে করে ঝালকাঠির সাধারণ জনগণ এই প্রতারণার ফাঁদ থেকে বেড়িয়ে আসতে পারে।

বিস্তারিত ভিডিওতে-

এখানে ক্লিক করুন