নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় মিনি কক্সবাজার খ্যাত ঐতিহ্যবাহী হালতির বিলে চলছে ধান কাটার মহোৎসব। অনেক বড় বিল হওয়ায় গ্রামের চাষিরা ধান কেটে কুলাতে না পেরে অনেক দূর দূরান্ত থেকে ধান কাটার লোক এসে এই হালতির বিলে ধান কেটে চাষীদের সাহায্য করে।

ফরিদপুর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা সহ অন্যান্য অনেক জেলা থেকে ধান কাটার লোক এসে এই হালতির বিলের কৃষকদের সাহায্য করে তারাও তাদের পারিশ্রমিক নিয়ে যায়। রাজশাহী, গোদাগাড়ী, পুঠিয়া, চারঘাট, ঝলমলিয়া সহ হালতির বিল এর আশেপাশের গ্রাম থেকে ও শত শত মহিষের গাড়ি, গরুর গাড়ি নিয়ে এসে এসে ধান উঠানোর কাজ করে। এই গারোয়ানরা ও তাদের পারিশ্রমিক নিয়ে যায়।গাড়ির পাশাপাশি ভ্যান ও ট্রলি দিয়েও ধান আনা-নেওয়া করা হয়।  শত শত পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেয় এই হালতির বিল। এখানকার ধান সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

কিছু কিছু ধানের বীজতলায় পোকার উপদ্রবে কৃষকরা দিশেহারা। কৃষকদের ঘুম হারাম তাদের শান্তি নেই তারা বিভিন্ন পোকা নাশক  স্প্রে দিয়ে  দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে যেন তারা সারাবছরের অর্জিত ফসল ঘরে তুলে নিয়ে যেতে পারে। সারাবছর সমস্ত বিল পানিতে ডুবে থাকে বছরে একটাই ফসল হওয়ায় সমস্ত কৃষকদের ঘুম নিন হারাম এই ফসল ঘরে তোলা এখন তাদের মুখ্য কাজ। কৃষাণিরা ও অপেক্ষায় থাকে সারাবছর একটা ফসল কবে বাড়িতে আসবে। কবে এই নতুন ধান সিদ্ধ শুখান করে, নতুন চালের পান্তা খাবে। কৃষকের ছেলে মেয়েরাও উদগ্রীব হয়ে থাকে কবে ধান আসবে ছড়ানো-ছিটানো ধান এক জায়গায় করে তারা বরফআলার কাছ থেকে বরফ খাবে।

হালতির বিল কৃষকদের একটাই প্রত্যাশা। কালবৈশাখী ঝড় বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে সমস্ত ধান তারা বাড়িতে তুলে নিয়ে যেতে চায়।