ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলা বড়ইয়া ইউনিয়নের বড়ইয়া গ্রামের সাইফুল আকনের কন্যা সন্তান সামিয়া (৭) পানিতে ডুবে মারা গেছেন।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে তাদের বসতবাড়ি পানিতে প্লাবিত হয়ে যায়, আশ্রয় নেওয়ার জন্য পাশের বাড়ি মোশাররফ হোসেনের বিল্ডিং ঘরে আশ্রয় নেয়। আজ বিকালে বাচ্চার বাবা বাহিরে যায়, বাচ্চার মা ছোট সন্তানকে নিয়ে মোশাররফ হোসেনের ঘরের মধ্যে অবস্থান করেন।

আসরের নামাজের পরে খেলা করার জন্য একটি খেলনা পাতিল নিয়ে সামনের খালের পাশে গেলে নির্মানাধীন কালাভাটের পিলারে পাশ দিয়ে পা ফসকে পানিতে পরে যায় বলে স্থানীয় মানুষ ধারণা করেন। পিলারের পাশেই সামিয়ার জুতা পরে ছিলো। সন্ধ্যার পূর্ব মূহুর্তে সামিয়াকে পানিতে ভাসমান অবস্থায় দেখে উদ্ধার করে রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে জরুরি বিভাগের কতৃপক্ষ মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে রাজাপুর মেডিকেল মোড় সংলগ্ন শিশু শিক্ষার্থী মোঃ সিয়াম হোসেন উপজেলার পিংড়ি গ্রামের মোঃ ফারুক হাওলাদারের ছেলে ও আযীযিয়া নূরাণী কিন্ডারগার্টেন মাদ্রাসার ২য় শ্রেনীর ছাত্র পানিতে ডুবে মারা গেছেন।

আজ বিকালে সিয়ামের ফসলী (ধান) চাষের জমিতে পানি প্লাবিত হয়ে গেলে সেখানে সহপাঠীদের সাথে খেলা করছিল। দুপুর থেকে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে খোঁজাখুজির এক পর্যয়ে কোলার মধ্যের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষনা করে।

উভয় ঘটনায় কোন মামলা হয়নি ময়না তদন্ত ছাড়া লাশ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।