রাজাপুর প্রতিনিধি-

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনী হাওয়া জমে উঠেছে রাজাপুর উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নে। চায়ের দোকান থেকে শুরু পাড়া মহল্লার সব যায়গায় নির্বাচনী আমেজ দেখা যায়। এবারের নির্বাচনকে অনেকেই ব্যাতির্কমী নির্বাচন মনে করেন। সাধারণ মানুষ বলছে দীর্ঘ করোনা কালীন সময় যে মানুষ গুলোকে পাশে পেয়েছি তাকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবো। রাজাপুর উপজেলার ৬নং মঠবাড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দাদের আস্থা ভালোবাসার এক নাম হলো রাজাপুর উপজেলা শাখা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক ছাত্র লীগের সভাপতি, সাবেক উপজেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক, সাবেক ঝালকাঠি জেলা যুবলীগের সদস্য মোঃ শফিকুর রহমান তালুকদার (ডেজলিং)।

ভোটারের কাছে জানা যায় তিনি দীর্ঘ দিন থেকে রাজনীতি করে আসছে। একজন দক্ষ কর্মীবান্ধব নেতা বলে পরিচিত হয়েছে যায়গা করে নিয়েছে দলীয় কর্মী থেকে শুরু করে কিশোর কিশোরীদের মনেও সাদা মাটা হাস্য উজ্জ্বল এই মানুষের কাছে তাদের চাওয়া পাওয়ার দাবি গুলো তুলে ধরতে পারবে বলেই তাকে প্রার্থী করতে চান মঠবাড়ী ইউনিয়নে বাসিন্দারা।

দলীয় নেতারা বলেন তিনি দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে বিগত দিন গুলোয়। দলীয় সমার্থন পাবে বলে অনেক সিনিয়র নেতারা আশাবাদী। দলীয় সমার্থনের পাশাপাশি রয়েছে ব্যাক্তি জনপ্রিয়তায় পরিপূর্ণ। মঠবাড়ী ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তার জনপ্রিয়তা পাড়া মহল্লার দোকান থেকে শুরু করে সব যায়গায় শোনা যায়।

প্রার্থী হবার বিষয় তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি রাজনীতি করি মানুষের কল্যানের জন্য দেশ ও জাতীর উন্নয়ন করাই আমার একমাত্র লক্ষ। আমি মানুষের জন্য কাজ করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সব সময় কাজ করে আসছি। জনগণ যদি প্রার্থী করেন তাহলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। তিনি আরো বলেন নির্বাচন কোন বিষয় নয় আমি সব সময় মানুষের জন্য এবং দেশের জন্য ত্যাগ স্বীকার করবো। আমার চাওয়া পাওয়া হলো জনগণের অধিকার আদায় করা। জনগণের প্রাপ্ত অধিকার তাদের বুজিয়ে দেওয়া। তিনি আরো বলেন সুষম বন্টন করাই হলো আমার কাজ।

এলাকার কিশোরদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন আমাদের ভালোবাসা ও অভিভাবক হলো মোঃ শফিকুর রহমান তালুকদার (ডেজলিং)। কিশোররা বলেন বর্তমান সময়ে মাদক-সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ গঠন করতে হলে তাকে জনপ্রতিনিধি করতে হবে। তার মতন সাহসী ও ত্যাগী নেতাই একটি আধুনিক ইউনিয়নে রুপান্তর করতে পারবে মঠবাড়ী ইউনিয়নকে।

তিনি ২০১১ সালে চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন। এবং ২০১৬ সালে দলের মনোনয়ন না পেয়ে নিজের ত্যাগ স্বীকার করে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে বিজয়ী করে বিজয় নিশ্চিত করেছেন।