এক ম্যাচ হাতে রেখেই পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নিল স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। গতকাল রবিবার নিউজিল্যান্ডের হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত ২য় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৯ উইকেটে জেতে কিইউরা। এর আগে ১ম টি-টোয়েন্টিতে ৫ উইকেটে পাকিস্তানকে হারিয়েছিল তারা।

যার ফলে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ করায়ত্ত করেছে কেন উইলিয়ামসনের দল। আর পাকিস্তান হারাল নিউজিল্যান্ডকে হ্যাট্রিক সিরিজ হারোনোর সুযোগ। দলে ফিরেই দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচসেরা টিম সাউদি। ৪ উইকেট নিতে এই পেসার ৪ ওভারে রান দেন কেবল ২১। মঙ্গলবার নেপিয়ারে সিরিজের ৩য় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান।

সিরিজ বাঁচাতে ২য় টি-টোয়েন্টিতে জয় ছাড়া বিকল্প ছিল না পাকিস্তানের। সেটি করতে ক্যারিয়ার সেরা ৯৯ রানের ইনিংসও খেলেছিলেন মোহাম্মদ হাফিজ। তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। গত ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও পাকিস্তানের টপ অর্ডার ছিল ব্যর্থ। ৫৬ রানে বিদায় নিয়েছেন ৪ জন।

অবশ্য অভিজ্ঞ মোহাম্মদ হাফিজ এক প্রান্তে ঝড় না তুললে স্কোরবোর্ড বড্ড বিবর্ণই লাগতো। কারণ বাকিরা ইনিংস লম্বা করতে পারেননি মোটেও। সেখানে ৫৭ বলে ক্যারিয়ার সেরা ৯৯ রানের হার না মানা এক ইনিংস খেলেছেন হাফিজ। যাতে ছিল দশটি ৪ ও ৫টি ছয়ে সাজানো। তাতে ৬ উইকেটে ১৬৩ রান জমা হয় সফরকারীদের স্কোর বোর্ডে। ২১ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন এই ম্যাচে ফেরা পেসার টিম সাউদি। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি।

তাতেও নিউজিল্যান্ডকে রোখা যায়নি। কারণ বোলিংয়ে কোনো প্রভাবই বিস্তার করতে পারেনি পাকিস্তান। উল্টো দিকে অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনসহ আরো কিছু তারকা ফেরায় বেশ উজ্জীবিত-ই দেখা গেছে কিউইদের। মাঠে যার প্রমাণও মিলেছে। কন্যাসন্তান জন্মের পর এই ম্যাচে ফিরেই দলের জয়ে ভূমিকা রেখেছেন কিউইদের নিয়মিত অধিনায়ক। ৩৫ রানে মার্টিন গাপটিল ফেরার পর পাকিস্তানি বোলারদের ওপর ঝড় বইয়েছেন টিম সেইফার্ট ও কেন।

সবচেয়ে বেশি আগ্রাসী ছিলন সেইফার্ট। ৬৩ বলে অপরাজিত ছিলেন ৮৪ রানে। ইনিংসটি ছিল ৮টি চার ও ৩ ছয়ে সাজানো। ৪২ বলে ৫৭ রানে অপরাজিত ছিলেন কেন। তার ইনিংসে ছিল ৮টি ৪ ও ১টি ৬। এ দুজনের ১২৯ রানের জুটিতেই ১ উইকেট হারিয়ে ১৯.২ ওভারে জয় নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড।

ফল: নিউজিল্যান্ড ৯ উইকেটে জয়ী।

সিরিজ:- ৩ ম্যাচের সিরিজে নিউজিল্যান্ড ২-০ তে এগিয়ে। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: টিম সাউদি (নিউজিল্যান্ড)।